Perfect Deal Tours
Indonesia Visa for Bangladeshis 2026 | Perfect Deal Tours

ইন্দোনেশিয়া ই-ভিসা (B211A)

দ্রুত ও নিশ্চিত প্রসেসিং সার্ভিস - Perfect Deal Tours

INDONESIA VISA FEE
৳ ১৩,০০০
ট্যুরিস্ট ই-ভিসা (B211A)
সরাসরি কথা বলতে হোয়াটসঅ্যাপ বাটন এ ক্লিক করুন
রাজধানী জাকার্তা
সময় অঞ্চল GMT + 7 (বাংলাদেশ +১ ঘণ্টা)
টেলিফোন কোড + 62
ভিসার ধরন সিঙ্গেল এন্ট্রি (৬০ দিন অবস্থান)
প্রসেসিং সময় ২০ - ২৫ কার্যদিবস
💰 ১ BDT ≈ ১৩০ IDR
🏖️ সেরা সময়: এপ্রিল - অক্টোবর
⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: ভিসা প্রসেসিং সময় সম্পূর্ণভাবে ইমিগ্রেশনের ওপর নির্ভরশীল। কোনো কারণে আবেদন রিজেক্ট হলে সাধারণত ফি অফেরতযোগ্য।
📋 ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
পাসপোর্ট: নূন্যতম ৬ মাস মেয়াদসহ মূল পাসপোর্ট এবং সকল পুরাতন পাসপোর্ট।
ছবি: ২ কপি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ম্যাট পেপার প্রিন্ট, রিসেন্ট তোলা)।
ব্যাংক স্টেটমেন্ট: বিগত ৬ মাসের ব্যক্তিগত স্টেটমেন্ট (ব্যালেন্স নূন্যতম ২ লক্ষ টাকা)।
সলভেন্সি: ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
পরিচয়পত্র: এনআইডি (NID) কার্ডের কপি এবং ২ কপি ভিজিটিং কার্ড।
ভিসা রিকোয়েস্ট লেটার: ফরওয়ার্ডিং বা রিকোয়েস্ট লেটার।
অন্যান্য: রিটার্ন এয়ার টিকেট, হোটেল বুকিং এবং হেলথ ইন্সুরেন্স।
স্বাস্থ্য সনদ: রেজিস্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক হেলথ সার্টিফিকেট।
পরিবার: স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রে ম্যারেজ সার্টিফিকেট ও নিকাহনামা (অনুবাদ ও নোটারি)।

ইনভাইটার যা যা প্রদান করবেন:

🔹 ইনভাইটারের পাসপোর্টের কপি।
🔹 রেসিডেন্ট পারমিট কপি (যদি প্রযোজ্য হয়)।
🔹 বাড়ি ক্রয় বা ভাড়ার ডিড/চুক্তিনামা কপি।
🔹 অফিস থেকে অনাপত্তিপত্র (NOC)।
🔹 অফিশিয়াল আইডি কার্ড কপি।
🔹 স্যালারি সার্টিফিকেট।
🔹 বিগত ৩ মাসের পে-স্লিপ (Pay Slip)।
🔹 ট্রেড লাইসেন্স (ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারি)।
🔹 TIN, BIN এবং ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট।
🔹 ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন কপি।
🔹 কোম্পানির শেষ ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি।
🔹 স্টুডেন্ট আইডি কার্ড কপি।
🔹 শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তিপত্র (Institute NOC)।
🔹 জন্ম নিবন্ধন বা এনআইডি (NID) কপি।
⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: ইন্দোনেশিয়া ই-ভিসা (B211A) এর জন্য বর্তমানে ২০-২৫ কার্যদিবস সময় লাগতে পারে। সকল ডকুমেন্টের স্ক্যান কপি পরিষ্কার হওয়া আবশ্যক। ভিসা ফি অফেরতযোগ্য।

ইন্দোনেশিয়া ই-ভিসা প্রসেসিং: আপনার যা জানা একান্ত প্রয়োজন

💰 ব্যাংক ব্যালেন্সের সঠিক হিসাব

ইন্দোনেশিয়ার জন্য শুধু ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিলেই হয় না, ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেটে নূন্যতম ২,০০০ ইউএস ডলার (বা সমপরিমাণ ২ লক্ষ টাকা) ব্যালেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। খেয়াল রাখবেন, গত ৬ মাসের ট্রানজেকশন যেন স্বাভাবিক থাকে। হঠাৎ জমা দেওয়া টাকা ইমিগ্রেশনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

🛂 ই-ভিসা (B211A) ও QR কোড

বর্তমানে ইন্দোনেশিয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ই-ভিসা প্রদান করে। আপনার ভিসার কপিতে একটি QR কোড থাকে। এয়ারপোর্টে নামার পর এই কোডটি স্ক্যান করে দ্রুত ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা যায়। তাই মোবাইলে কপির পাশাপাশি অবশ্যই কালার প্রিন্ট কপি সাথে রাখবেন।

📝 ইনভাইটেশন লেটারের গুরুত্ব

ইন্দোনেশিয়ার ভিসার ক্ষেত্রে স্থানীয় স্পন্সর বা ইনভাইটেশন লেটার অনেক বড় ভূমিকা রাখে। যদি আপনার কোনো ইনভাইটার না থাকে, তবে সঠিক হোটেল বুকিং নিশ্চিত করতে হবে। হোটেল বুকিং বাতিল হয়ে গেলে অনেক সময় ইমিগ্রেশনে এন্ট্রি পেতে সমস্যা হতে পারে।

🏖️ বালি (Bali) ইমিগ্রেশন টিপস

আপনি যদি সরাসরি বালিতে ল্যান্ড করেন, তবে ইমিগ্রেশন অফিসার আপনার রিটার্ন টিকেট এবং থাকার হোটেল এড্রেস যাচাই করবে। সাথে কিছু নগদ ডলার রাখা ভালো এবং নিজের ভ্রমণের আইটিনারি বা প্ল্যানটি মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।

কাস্টমস ডিক্লেয়ারেশন ফরম (ECD)

ইন্দোনেশিয়ায় নামার ঠিক আগে বা ল্যান্ড করার পর আপনাকে অনলাইনে Electronic Customs Declaration (ECD) ফরম পূরণ করতে হবে। এটি করার পর আপনি একটি QR কোড পাবেন যা ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পর স্ক্যান করতে হয়। এটি না দেখালে এয়ারপোর্ট থেকে বের হতে ঝামেলা হতে পারে।

ভিসা রিজেক্ট হওয়ার প্রধান ৫টি কারণ

  • ১. ব্যাংক স্টেটমেন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স বা সলভেন্সি না থাকা।
  • ২. ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড এবং সাইজ এম্বাসির নিয়ম অনুযায়ী না হওয়া।
  • ৩. পাসপোর্টের তথ্যের সাথে পেশাগত নথির মিল না থাকা।
  • ৪. অসম্পূর্ণ বা ভুয়া হোটেল বুকিং তথ্য প্রদান করা।
  • ৫. পূর্বের কোনো দেশে ওভার-স্টে (Overstay) এর রেকর্ড থাকা।

ইন্দোনেশিয়ার আকর্ষণীয় গন্তব্য

বালি (Bali) ছাড়াও আপনি নুসা পেনিডা (Nusa Penida), গিলি আইল্যান্ড (Gili Islands), এবং জাকার্তার চমৎকার সব পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখতে পারেন। আমরা আপনার জন্য কম বাজেটে সেরা ইন্দোনেশিয়া ট্যুর প্যাকেজ এবং রিসোর্ট বুকিং নিশ্চিত করি।

Indonesia Electronic Customs Declaration (ECD)

ইন্দোনেশিয়া ইমিগ্রেশনের নিয়ম অনুযায়ী, সেদেশে পৌঁছানোর ২ দিন আগে অনলাইনে কাস্টমস ডিক্লেয়ারেশন ফরম পূরণ করা বাধ্যতামূলক। এটি সম্পন্ন করলে আপনি একটি QR কোড পাবেন যা এয়ারপোর্টে প্রদর্শন করতে হবে।

কিভাবে পূরণ করবেন:
  • নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে আপনার ব্যক্তিগত ও পাসপোর্ট তথ্য দিন।
  • আপনার ফ্লাইটের তথ্য এবং ইন্দোনেশিয়ায় থাকার ঠিকানা দিন।
  • আপনার সাথে থাকা মালামালের ঘোষণা সম্পন্ন করুন।
  • সবশেষে প্রাপ্ত QR Code-টি ডাউনলোড বা স্ক্রিনশট দিয়ে রাখুন।
* মনে রাখবেন: এটি ছাড়া ইন্দোনেশিয়া এয়ারপোর্ট থেকে বের হওয়া সম্ভব নয়।
অনলাইনে ECD ফরম পূরণ করুন

* আমরা শুধু ভিসা নয়, বরং আপনার সম্পূর্ণ ভ্রমণকে সহজ করতে সব ধরণের তথ্য ও সেবা দিয়ে থাকি।